Tuesday, May 31, 2016

STUDY MALAYSIA

STUDY MALAYSIA


MALAYSIA STUDY IS TO BE VERY POPULAR TO STUDENT BECAUSE MALAYSIAN EDUCATION SYSTEM ARE QUIET RUN WORLD'S TOP  RANKING UNIVERSITY'S
SUCH AS WORLD CLASS VERSITIES ARE THAT...........
  1. TAYLOR'S  UNIVERSITY
  2. MONASH UNIVERSITY
  3. UNIVERSITY OF MALAYA WALES(32- WORLD TOP RANKING) 
  4. CURTAIN UNIVERSITY (AUSTRALIA)
  5. LINCOLN  UNIVERSITY COLLEGE (Kualalumpur) 
  6. INTERNATIONAL ISLAMIC
  7. SEGI UNIVERSITY
  8. MULTIMEDIA UNIVERSITY
  9. INFRASTRUCTURE UNIVERSITY
  10. LIMKOKWING UNIVERSITY (Of Creative Technology)
  11. VICTORIA INTERNATIONAL COLLEGE
  12. INNOVATIVE INTERNATIONAL COLLEGE
  13. FTMS  GLOBAL BISINESS ACADEM 
  14. SUN WAY CAMPUS     (U K)
  15. K F C     ( USA  -Baised) campus))
  16. A P U     (Asia Pacific University)
  17. K D U     (University))t world)
  18. QUEST  INTERNATIONAL UNIVERSITY
  19. HELF  UNIVERSITY OF ACHIVER(Anglia  Ruskin  U K  Baised)






  20. Diploma course 2015/16 in MALAYSIA


  21. DIPLOMA IN MEDICAL ASSISTANT
  22. DIPLOMA IN PHARMACY
  23. DIPLOMA IN PHYSIOTHERAPY
  24. DIPLOMA IN BUSINESS ADMINISTRATION
  25. DIPLOMA IN BUSINESS INFORMATION SYSTEM
  26. DIPLOMA IN MANAGEMENT ACCOUNTING
  27. DIPLOMA IN COMPUTER SCIENCE
  28.  DIPLOMA IN ELECTRICAL & ELECTRONIC ENGINEERING
  29. DIPLOMA IN MECHANICAL ENGINEERING
  30. DIPLOMA IN HOSPITALITY & TOURISM  MANAGEMENT
  31. DIPLOMA IN TRAVEL & TOURISM MANAGEMENT
  32. DIPLOMA IN CULINARY ART & FOOD MANAGEMENT 
  33. DIPLOMA IN HOTEL MANAGEMENT                                                                           The student of our country is very interested to study in Malaysia.Most of world top ranking university's established their CAMPUS in Malaysia.Not only that But also they transfer credit to their main campus.

Monday, May 30, 2016

HOW TO APPLY ? -U S A


undergraduate  program requirement

  1. Complate application Form D S 160 fill up.
  2. Submit official transcripts/Markseet.
  3. Proof of English language proficiency/-TOEFL 71 -IBT /-IELTS 6.0/-GRE not required.
  4. Apply for conditional admission (if applicable)
  5.  A Passport that is valid at least 06 month from the expected date of entry U S A
  6. Personal essay
  7.  provide a bank certificate/sponsor paper.(  First blood sponsor is preferred)Basic papers needed from the sponsor.
A/1-Bank Statement 
A/2-ATIN Certificate,
A/3-Trade license.
8.Original I-20
9.Copy of SEVIS fee pament receipt.(US$200 doller)
10.One photo with white background(2by2 inches) 

Sunday, May 29, 2016

about I 20


about  I 20 every student know this topic very much.in this connection you also about the sevis fees.

stap one for study abroad

About study  abroad, 
first of all you have to know how to proceed- step- one by one- such as following instruction is very essential.
  1. Passport Creat
  2. IELTS, TOEFLE, Score (minimum 6.5<6./7 or 7.5 ) 
  3. All Academic Certificate and Mark sheet are attested by institution/Ministry of Foreign affairs/Education Ministry.  
  4. I 20 ----(Offer Letter collect from selected university)
  5. Admission Fees send to institution.
  6. Write the Personal essay(About your object for higher education)
  7. SEVIS Fee received copy (200$US dollar) 
  8. Bank solvency certificate/sponsorship Certificate with notarization.
  9. Medical test support ---(Screening result)
  10. Police clearance certificate/No objection Certificate.
  11. Photo with white background (2"* 2"incise) 04 copies.

Thursday, May 26, 2016

বিদেশে উচ্চশিক্ষার খুঁটিনাটি

বিদেশে উচ্চশিক্ষার খুঁটিনাটি
বিদেশে উচ্চশিক্ষা নিতে চান অনেকেই। এর জন্য ভালো প্রস্তুতি লাগে। আইইএলটিএস বা টোফেল করা, প্রয়োজনীয় ভাষা শেখা, দরকারি কাগজপত্র জোগাড়, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি আবেদন, স্টুডেন্ট ভিসার আবেদন ছাড়াও আছে নানা ঝক্কি। কিভাবে সামলাবেন? জানাচ্ছেন হাবিবুর রহমান তারেক এইচএসসির পর বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর ভিনদেশে পাড়ি জমান অনেক শিক্ষার্থী। পড়াশোনার অনেক সুযোগ আছে বাইরের দেশগুলোতে। দরকারি তথ্য না জানার কারণে যোগ্যতা থাকার পরও উচ্চশিক্ষার সুযোগ পাচ্ছেন না অনেকে। বেশ কয়েকটি ধাপ পেরোনোর পর মেলে বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ। তবে সব তথ্য জানা থাকলে তা সামাল দেওয়া কঠিন নয়। যোগ্যতা থাকলে সিদ্ধান্ত এখনই যুক্তরাজ্যের লন্ডন মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির পরিচালক মার্ক বিকারটন জানান, যোগ্য শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হয় আগের সব পরীক্ষার ফলাফল, আইইএলটিএস ও আর্থিক সামর্থয যাচাইয়ের মাধ্যমে। ব্যাচেলর পর্যায়ে ভর্তির ক্ষেত্রে সাধারণত উচ্চ মাধ্যমিকে সিজিপিএ ৩.০ এবং আইইএলটিএসে ৫.৫ থাকতে হয়। তবে মাস্টার্সের ক্ষেত্রে ৬.০ থাকতে হবে আইইএলটিএসে। এইচএসসি পাস করে অনেকেই বৃত্তি নিয়ে বিভিন্ন দেশে পড়াশোনা করছেন। দক্ষিণ কোরিয়ার কেইয়ং হি ইউনিভার্সিটি থেকে পড়াশোনার পাট চুকিয়ে দেশে ফিরেছেন জুয়েল পারভেজ। তিনি বলেন, ‘কোরিয়া ফাউন্ডেশনের বৃত্তি পেয়ে দেশটিতে পড়তে যাই। কোরিয়ার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন ডেভেলপমেন্টের (এনআইইডি) বৃত্তি নিয়েও অনেক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী দেশটিতে পড়াশোনা করছে। আর্থিক সামর্থয থাকলে দেশটিতে বৃত্তি ছাড়াও আছে উচ্চশিক্ষার অনেক সুযোগ।’ মাউস ক্লিকে দরকারি তথ্য বিদেশে ভর্তির বেলায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্বাচনে সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন অভিজ্ঞরা। ভুল তথ্য জেনে নামসর্বস্ব কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হলে উচ্চশিক্ষা তো অনিশ্চিত হবেই, সেই সঙ্গে অর্থ আর সময়ও নষ্ট হবে। সংশি্লষ্ট দেশের শিক্ষাবিষয়ক সরকারি ওয়েবসাইট কিংবা কাঙ্ক্ষিত বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটেই দরকারি সব তথ্য পাবেন। যে কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে চান সেটির মান কেমন, দেশটিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির র্যাংকিং কত, তা জেনেই ভর্তির সদ্ধিান্ত নিতে হবে। কেমন খরচ হবে, কোনো আর্থিক সুবিধা পাওয়া যাবে কি না, খণ্ডকালীন কাজের অনুমতি মিলবে কি না-সব জেনে তবে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। দরকারি সব তথ্যই পাওয়া যাবে অনলাইনে। পূর্ণাঙ্গ তথ্য জেনে নিজের যোগ্যতা ও আর্থিক সামর্থয অনুযায়ী বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিপ্রক্রিয়া শুরুর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে উচ্চশিক্ষাবিষয়ক সাইটগুলোতে। দরকারি কাগজপত্র প্রস্তুত তো? বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সেশন শুরুর কয়েক মাস আগে থেকেই ভর্তি আবেদনের পরামর্শ দিয়ে থাকেন অভিজ্ঞরা। দরকারি কাগজপত্র প্রস্তুত থাকায় মালয়েশিয়ার ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজিতে (ইউটিএম) কাঙ্ক্ষিত সেশনে ভর্তি হতে পেরেছিলেন সোহেল রানা। কাগজপত্র প্রস্তুত না থাকায় পরের সেশনে ভর্তি হতে হয়েছে তাঁরই কয়েকজন বন্ধুকে। তিনি জানান, বাইরের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আবেদন করতে ফরমের সঙ্গে সাধারণত পাসপোর্ট আকারের ছবি, সব পরীক্ষার সনদ, নম্বরপত্রের ফটোকপি (নোটারি করা কপি পাঠাতে হয় অনেক ক্ষেত্রে), সুপারিশপত্র, পারিবারিক আয়ের তথ্য, পাসপোর্ট, মেডিক্যাল সনদ ইত্যাদি যুক্ত করতে হয়। আবেদনের আগে ভাষা দক্ষতা বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি আবেদনের অন্যতম একটি শর্ত হচ্ছে ‘ভাষা দক্ষতা’। ভাষা দক্ষতা যাচাইয়ের জন্য প্রচলিত আছে আইইএলটিএস, টোফেল, স্যাট, জিম্যাট প্রভৃতি পরীক্ষা। এসব পরীক্ষার মধ্যে প্রার্থীর কোনটি দরকার, কত স্কোর লাগবে তা নির্ভর করে দেশ ও কোর্সের ওপর। বেশির ভাগ দেশে আইইএলটিএস চাওয়া হয়, থাকতে হয় ৫.৫ থেকে ৬ পয়েন্ট। তবে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডাসহ কিছু কিছু দেশে টোফেল (আইবিটি/পিবিটি) গ্রহণযোগ্য। আইবিটিতে সাধারণত ৯০-১০৫ অথবা পিবিটিতে থাকতে হয় ৫০০-৬২০ স্কোর। এ বিষয়ে আগে খোঁজ নিয়েই তবে আইইএলটিএস বা টোফেল করা উচিত। ভাষা দক্ষতার এ পরীক্ষায় এমন সময় অংশ নেওয়া উচিত, যাতে ফল খারাপ হলেও পরে আবার পরীক্ষায় অংশ নেওয়া যায়। এসব পরীক্ষার ব্যাপারে তথ্য পাওয়া যাবে বাংলাদেশে অবস্থিত ব্রিটিশ কাউন্সিল ও আমেরিকান সেন্টারে। এবার চাই অফার লেটার বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় দেশভেদে সাধারণত বছরে দুই থেকে তিনবার আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা ভর্তি হতে পারেন। ভর্তিপ্রক্রিয়া শুরু করতে হয় সেশন শুরু হওয়ার দুই থেকে তিন মাস আগে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটের দিকনির্দেশনা অনুযায়ী আবেদন ফরম সংগ্রহ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ফিসহ আবেদন করতে হয়। শিক্ষার্থীদের পাঠানো আবেদনপত্র ও কাগজপত্র যাচাই-বাছাইয়ের পর যোগ্য শিক্ষার্থীদের ঠিকানায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ভর্তি শাখা’ ডাকযোগে ভর্তির অনুমতিপত্র বা ‘অফার লেটার’ পাঠিয়ে থাকে। একাডেমিক পরীক্ষায় ফল ভালো হলে ভর্তির অনুমতি পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। অন্যান্য যোগ্যতা বা কাগজপত্রের গুরুত্বও কম নয়। ইংরেজি ভাষা দক্ষতা পরীক্ষায় ভালো স্কোর থাকলে ভর্তি সহজ হয়ে যায় অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে। স্টুডেন্ট ভিসার খুঁটিনাটি বিদেশি কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের অফার লেটার পেলেই যে দেশটিতে পড়ার সুযোগ মিলবে তা কিন্তু নয়। স্টুডেন্ট ভিসা না পেলে সব পরিশ্রমই বৃথা যাবে। অফার লেটার পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ ভিসার জন্য আবেদন করতে হয় সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাসে। বিভিন্ন দেশ স্টুডেন্ট ভিসার ক্ষেত্রে বিভিন্ন শর্ত জুড়ে দেয়। তবে আবেদনপ্রক্রিয়া প্রায় একই। ভিসা পেতে কিছু দেশে সাক্ষাত্কারের মুখোমুখি হতে হয়। তবে বেশির ভাগ দেশেই এখন সাক্ষাত্কারের প্রয়োজন হয় না। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ‘অফার লেটার’ পাঠালেই কোনো কোনো দেশের স্টুডেন্ট ভিসা প্রায় নিশ্চিত। আবার কোনো দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের অফার লেটার পাওয়া সহজ হলেও ভিসা পাওয়া কঠিন। কিছু বিষয়ে নিশ্চিত হয়েই সংশি্লষ্ট দেশের দূতাবাস বা কর্তৃপক্ষ ভিসা দেয়। ‘আবেদনকারী পড়াশোনা শেষে নিজ দেশে ফিরে আসবে কি না’-এমন প্রশ্নের জবাবে সদুত্তর দিতে না পারলে ভিসা আবেদন প্রত্যাখ্যান হওয়ার আশঙ্কা থাকে। বিভিন্ন উচ্চশিক্ষাবিষয়ক সাইটের পরামর্শ, অবৈধ বা ভুয়া স্পন্সর দেখানো, সঠিক তথ্য না দেওয়া বা আবেদনপত্রে ভুল তথ্য থাকার কারণে ভিসা আবেদন প্রত্যাখ্যান বা বাতিল হতে পারে। এ ছাড়া প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের কোনোটি বাদ পড়া, একাডেমিক ফল ভালো না হওয়া, অফার লেটার পাঠানো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মান ভালো না থাকা, কাগজপত্র ইংরেজির পরিবর্তে অন্য কোনো ভাষায় থাকা, সনদসহ জমা দেওয়া বিভিন্ন কাগজপত্রের অনুলিপি ঠিক না থাকার কারণেও এমনটি হতে পারে। বৃত্তি নিয়েও আছে পড়ার সুযোগ প্রতিবছরই অনেক শিক্ষার্থী বিভিন্ন দেশ ও সংস্থার বৃত্তি নিয়ে বিদেশে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পাচ্ছেন। ভালো ফলাফল থাকলে খুব সহজেই মেলে এসব শিক্ষাবৃত্তি। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য তুলনামূলক বেশি বৃত্তির সুযোগ মেলে জাপান, চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, জার্মানি ও সুইডেনে। কোরিয়ার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ৫০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী প্রফেসর ফান্ডের মাধ্যমে বৃত্তি পেয়ে দেশটিতে পড়াশোনা করছেন। বছরের বিভিন্ন সময় বিভিন্ন দেশ ও সংস্থা বৃত্তির ঘোষণা দেয়। বিভিন্ন দেশের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট কিংবা দূতাবাসের ওয়েবসাইটে খোঁজ নিলে ঘরে বসেই মিলতে পারে বৃত্তির তথ্য। বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটও (www.moedu.gov.bd) নিয়মিত বিভিন্ন দেশের বৃত্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। দরকারি কিছু সাইট বাংলাদেশ থেকে পড়াশোনার উদ্দেশ্যে বিদেশে পাড়ি দেওয়া শিক্ষার্থীদের বড় একটি অংশের গন্তব্য যুক্তরাজ্য। দেশটিতে ভর্তি, পড়াশোনার তথ্য পাওয়া যাবে এসব সাইটে- www.educationuk.org www.ucas.com www.ukba.homeoffice.gov.uk, http://ukinbangladesh.fco.gov.uk/bn/visas, www.ukcisa.org.uk, www.britishcouncil.org/bangladesh ইউরোপের অন্য দেশগুলোতেও পড়তে যায় অনেক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী। এসব দেশে উচ্চশিক্ষার তথ্য পাওয়া যাবে নিচের সাইটগুলোতে- www.studyineurope.eu www.scholarshipportal.eu http://eacea.ec.europa.eu/index_en.php http://ec.europa.eu/education/study-in-europe অস্ট্রেলিয়ায় পড়াশোনার তথ্য পাওয়া যাবে দেশটির সরকারি এই সাইটে- www.studyinaustralia.gov.au কানাডায় উচ্চশিক্ষার তথ্য মিলবে সাইট দুটিতে www.cic.gc.ca/english/study www.cic.gc.ca/english/information/applications/student.asp অনলাইনে একটু চোখ রাখলেই অন্যান্য দেশের তথ্যের খোঁজ মিলবে সহজে, তবে সঠিক তথ্য পাবেন সরকারি সাইটগুলোতে।


বিস্তারিত পড়ুন: http://infopedia.com.bd/education/study-abroad/230
ব্রিটেনের ৬০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি নিষিদ্ধ

ব্রিটিশ হোম অফিস দেশটির ৬০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের দেশগুলোর শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ প্রত্যাহার করে নিয়েছে। আর এসব কলেজে অধ্যয়নরত ও অধ্যয়নে আগ্রহী অধিকাংশ শিক্ষার্থীই বাংলাদেশসহ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের। এর মধ্যে ৫৭টি হচ্ছে বেসরকারি কলেজ ও ৩টি বিশ্ববিদ্যালয়। এগুলোর মধ্যে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যার পরিচালনা বা মালিকানায় আছেন বাংলাদেশিরা। কোর্স শেষ না হওয়া পর্যন্ত অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রমে এ সিদ্ধান্ত বহাল না হলেও, কোর্স শেষে নতুন করে এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ থাকছে না। ফলে ভিসা ও আর্থিক সমস্যায় পড়তে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। মঙ্গলবার হাউস অব কমন্সে ইমিগ্রেশন মিনিস্টার জেমস ব্রকেনশায়ারি এ সংক্রান্ত একটি বিবৃতি দিয়েছেন। বিবৃতিতে স্টুডেন্ট ভিসা পাওয়ার লক্ষ্যে ইংরেজি ভাষা পরীক্ষার মিথ্যে বর্ণনা দেওয়ার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, এমন অভিযোগ পাওয়ায় বিশ্বস্ত স্পন্সর স্ট্যাটাস পাওয়া এই ৬০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আন্তর্জাতিক ছাত্র ভর্তির অধিকার স্থগিত করা হয়েছে। এ বিষয়ে একটি ব্যাপকভিত্তিক ক্রিমিনাল ইনভেষ্টিগেশন শুরু হয়েছে বলেও জানিয়েছেন ব্রকেনশায়ার। তিনি বলেন, ‘পদ্ধতিগত এমন অপব্যবহার সত্যিই দু:খজনক’। বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তিতে সরকার অনুমোদিত পরীক্ষায় নিয়মিত প্রতারণার বিষয়ে বিবিসি প্যানোরমার একটি রিপোর্ট প্রকাশের পরই ইমিগ্রেশন মিনিস্টার পার্লামেন্টে ৬০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিদেশি ছাত্র ভর্তির সুযোগ স্থগিতের এই ঘোষণা দিলেন। ভিসা প্রাপ্তির জন্যে ইংরেজি ভাষা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার সনদ দাখিল করার নিয়ম থাকায় ক্রিমিনাল এজেন্টরা ভুয়া কাগজপত্র দাখিলের মাধ্যমে ইংরেজি ভাষা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হিসেবে দেখানোর ব্যবস্থা করতেন সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীকে। সামান্য ইংরেজি জানা বা একেবারে ইংরেজি না জানা শিক্ষার্থীদের জন্যেও পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার ওইসব সনদ সরবরাহ করতো এজেন্টরা। আর এ প্রতারণার বিষয়টি উন্মোচিত হয় প্যানারোমা রিপোর্টে। ইমিগ্রেশন মিনিষ্টার জেমস ব্রকেনশায়ার বিবৃতিতে জানান, বিদেশি শিক্ষার্থীদের ব্রিটেনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে অধ্যয়নের সুযোগের অপব্যবহার সরকার কোনোভাবেই সহ্য করবে না। এই অপব্যবহারের বিরোদ্ধে সরকারের কঠোর পদক্ষেপের উদাহরণ দিতে গিয়ে তিনি বলেন, বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তির অনুমোদনপ্রাপ্ত সরকারি তালিকা থেকে ইতোমধ্যে ৭৫০টি ভুয়া কলেজের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। ‍এছাড়া প্রায় ৪শ প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে সরকার অবগত আছে, যারা ভুয়া সনদ সরবরাহকারী এজেন্টদের সাথে যোগাযোগ রাখছে। ইমিগ্রেশন মিনিস্টার অভিযোগ করেন, বিদেশি শিক্ষার্থীদের সপ্তাহে ২০ ঘণ্টার বেশি কাজের অনুমতি না থাকলেও বছরে ২০ হাজার পাউন্ড উপার্জন করছে এমন বিদেশি শিক্ষার্থীও চিহ্নিত করতে পেরেছে রেভিনিউ অ্যান্ড কাস্টম বিভাগ (এইচএমআরসি)। ‍ ভিসার মেয়াদ বৃদ্ধিতে সরকারের এই সিদ্ধান্ত কঠোর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে এমন আশঙ্কায়ও করছেন বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী। নিষেধাজ্ঞা কবলিত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- প্রাইভেট কলেজ : 
1. Alpha College 
2. Alpha Meridian College 
3. APS Computer Solutions TA Pitman Training Centre 
4. Birmingham Institute of Education Training and Technology
 5. Blake Hall College 
6. Bloomsbury International UK
 7. Bradford College of Management 
8. Bradford Metropolitan College 
9. Bristol College of Accountancy 10. Britain College 
11. Central College London 
12. Central College of Studies 
13. Central Cranbrook College 
14. Citizen 2000 Education Institute 
15. City of London Academy 
16. College of Advanced Studies 17. College of East London
18. College of Excellence 
19. Cranford College
 20. Essex College 
21. Eynsford College 
22. FBT (Finance Business Training) 
23. Forbes Graduate School 
24. Hammersmith Management College 
25. Helios International College 
26. IIM Bedford 
27. Interlink College of Technology & Business Studies 
28. Katherine & Kings College of London 
29. Kinnaird College 30. LIT LON Ltd 31. London Academy of Management and Business 32. London College of Business Management and Computing Studies 33. London College of Finance and Accounting 34. London Corporate College 35. London Educators Ltd 36. London Premier College 37. London Regal College 38. London School of Advanced Studies 39. London School of Marketing t/a LS Business School 40. London School of Technology 41. London St Andrews College 42. LSBF (London School of Business and Finance) 43. Manchester College of Management Sciences 44. Manchester International College (International Learning Centre) 45. Manchester Trinity 46. Midlands Academy of Business and Technology 47. North West College Reading 48. Queensbury College 49. Shakespeare College 50. South London College 51. Stanfords College UK Ltd 52. Studio Cambridge 53. Superior College London 54. UK Business Academy 55. UK Vocational Training College t/a UK CAT 56. West George College 57. West London Business College

Demo Post

This Is the Demo Post

This is RNN Global Network. We build your Career.